মোঃ জাহিদুল ইসলাম
সভাপতি
মোবাইল নম্বর01511511155
বর্তমান ঠিকানাকলাপাড়া, পটুয়াখালী।
টেক্সট সাইজ:
পরিচয় ও উদ্দেশ্য
‘রয়েল ব্যাচ ২০০০’ কলাপাড়া উপজেলার একটি স্বতন্ত্র এবং অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন। ২০০০ সালে এসএসসি সম্পন্ন করা কলাপাড়ার একঝাঁক উদ্যমী বন্ধুর হাত ধরে এই সংগঠনের পথচলা শুরু। এটি কোনো দেশব্যাপী সংগঠনের শাখা নয়, বরং সম্পূর্ণ স্থানীয়ভাবে কলাপাড়ার বন্ধুদের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত।
সংগঠনের মূল দর্শন ও নেতৃত্ব (সভাপতি) । এই সংগঠনের প্রাণশক্তি হলো এর সুশৃঙ্খল নেতৃত্ব। সংগঠনের সভাপতি কেবল একজন পদাধিকারী ব্যক্তি নন, বরং তিনি সকল বন্ধুদের অভিভাবক এবং সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন। বর্তমান সভাপতি হিসেবে আমার প্রধান দায়িত্ব হলো কলাপাড়ার সকল বন্ধুদের এক সুতোয় গেঁথে রাখা এবং সংগঠনের সকল সামাজিক ও চ্যারিটি কার্যক্রম পরিচালিত করা।
রয়েল ব্যাচ ২০০০-এর বিশেষত্ব হলো এর কোনো শাখা নেই। কলাপাড়া কেন্দ্রিক এই সংগঠনটি নিজস্ব গঠনতন্ত্র এবং স্থানীয় বন্ধুদের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, যা একে অন্যান্য ব্যাচভিত্তিক গ্রুপ থেকে আলাদা করেছে।
সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
১. বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন: কলাপাড়ার বিভিন্ন স্কুলে ২০০০ সালে একসাথে পড়া বন্ধুদের মধ্যে হারানো যোগাযোগ পুনরায় স্থাপন করা।
২. অসহায় বন্ধুদের পাশে দাঁড়ানো: ব্যাচের কোনো বন্ধু বা তার পরিবার অসুস্থতা বা অন্য কোনো সংকটে পড়লে সভাপতির নেতৃত্বে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা।
৩. সামাজিক উন্নয়ন: কলাপাড়া এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা এবং বিভিন্ন দুর্যোগকালীন সময়ে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা প্রদান।
৪. পেশাগত উন্নয়ন: বন্ধুদের মধ্যে কাজের সুযোগ তৈরি এবং ব্যবসায়িক বা পেশাগত ক্ষেত্রে একে অপরকে পরামর্শ দিয়ে এগিয়ে নেওয়া।
উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমসমূহ
বার্ষিক মিলনমেলা: প্রতি বছর কলাপাড়ার কোনো মনোরম স্থানে সকল বন্ধুদের নিয়ে গ্র্যান্ড গেট-টুগেদার আয়োজন।
ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান: ইফতার মাহফিল, ঈদ পুনর্মিলনী এবং সদস্যদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া।
মানবসেবা: স্থানীয় পর্যায়ে রক্তদান কর্মসূচি পরিচালনা এবং শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।
সংগঠনের বর্তমান সভাপতি হিসেবে আমার লক্ষ্য হলো "বন্ধুত্ব হোক হৃদয়ের বন্ধন" এই স্লোগানকে সামনে রেখে কলাপাড়ার প্রতিটি ২০০০ ব্যাচের বন্ধুকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা।
উপসংহার:
রয়েল ব্যাচ ২০০০ কলাপাড়া আজ কেবল একটি বন্ধুত্বের গ্রুপ নয়, এটি একটি আস্থার নাম। কোনো শাখা বা উপ-শাখা না থাকায় এর অভ্যন্তরীণ বন্ধন অত্যন্ত মজবুত। আগামী দিনে কলাপাড়ার সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে এই সংগঠনটি আরও বৃহত্তর ভূমিকা পালন করবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
সংগঠনের মূল দর্শন ও নেতৃত্ব (সভাপতি) । এই সংগঠনের প্রাণশক্তি হলো এর সুশৃঙ্খল নেতৃত্ব। সংগঠনের সভাপতি কেবল একজন পদাধিকারী ব্যক্তি নন, বরং তিনি সকল বন্ধুদের অভিভাবক এবং সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন। বর্তমান সভাপতি হিসেবে আমার প্রধান দায়িত্ব হলো কলাপাড়ার সকল বন্ধুদের এক সুতোয় গেঁথে রাখা এবং সংগঠনের সকল সামাজিক ও চ্যারিটি কার্যক্রম পরিচালিত করা।
রয়েল ব্যাচ ২০০০-এর বিশেষত্ব হলো এর কোনো শাখা নেই। কলাপাড়া কেন্দ্রিক এই সংগঠনটি নিজস্ব গঠনতন্ত্র এবং স্থানীয় বন্ধুদের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, যা একে অন্যান্য ব্যাচভিত্তিক গ্রুপ থেকে আলাদা করেছে।
সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
১. বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন: কলাপাড়ার বিভিন্ন স্কুলে ২০০০ সালে একসাথে পড়া বন্ধুদের মধ্যে হারানো যোগাযোগ পুনরায় স্থাপন করা।
২. অসহায় বন্ধুদের পাশে দাঁড়ানো: ব্যাচের কোনো বন্ধু বা তার পরিবার অসুস্থতা বা অন্য কোনো সংকটে পড়লে সভাপতির নেতৃত্বে দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা।
৩. সামাজিক উন্নয়ন: কলাপাড়া এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা এবং বিভিন্ন দুর্যোগকালীন সময়ে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা প্রদান।
৪. পেশাগত উন্নয়ন: বন্ধুদের মধ্যে কাজের সুযোগ তৈরি এবং ব্যবসায়িক বা পেশাগত ক্ষেত্রে একে অপরকে পরামর্শ দিয়ে এগিয়ে নেওয়া।
উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমসমূহ
বার্ষিক মিলনমেলা: প্রতি বছর কলাপাড়ার কোনো মনোরম স্থানে সকল বন্ধুদের নিয়ে গ্র্যান্ড গেট-টুগেদার আয়োজন।
ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান: ইফতার মাহফিল, ঈদ পুনর্মিলনী এবং সদস্যদের পারিবারিক অনুষ্ঠানে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া।
মানবসেবা: স্থানীয় পর্যায়ে রক্তদান কর্মসূচি পরিচালনা এবং শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।
সংগঠনের বর্তমান সভাপতি হিসেবে আমার লক্ষ্য হলো "বন্ধুত্ব হোক হৃদয়ের বন্ধন" এই স্লোগানকে সামনে রেখে কলাপাড়ার প্রতিটি ২০০০ ব্যাচের বন্ধুকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা।
উপসংহার:
রয়েল ব্যাচ ২০০০ কলাপাড়া আজ কেবল একটি বন্ধুত্বের গ্রুপ নয়, এটি একটি আস্থার নাম। কোনো শাখা বা উপ-শাখা না থাকায় এর অভ্যন্তরীণ বন্ধন অত্যন্ত মজবুত। আগামী দিনে কলাপাড়ার সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে এই সংগঠনটি আরও বৃহত্তর ভূমিকা পালন করবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
